রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতে চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়ার ঘটনা কুরআন-সুন্নাহ দ্বারা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। ফলে এটা মুসলমানদের সর্বসম্মত ও চূড়ান্ত আকীদা। এই আকীদার জন্য বিজ্ঞান কিংবা ইতিহাস নিষ্প্রয়োজন।
কিন্তু এক শ্রেণীর মুসলমান এটুকুতে সন্তুষ্ট নন। কিছু রোমাঞ্চকর গল্পশল্প না থাকলে তাদের যেন জমেই না। তাই তারা নাসার নাম দিয়ে চাঁদে ফাটল আবিষ্কার করেন।
নীল আর্মস্ট্রংয়ের মুখে সেই ফাটল দর্শন ও আজান শ্রবণের গল্প প্রচার করেন। চীনের মিথিকাল মাংকি রাজা ও তার প্রজাদের নামে চন্দ্র বিদীর্ণের ঘটনা প্রত্যক্ষের ইতিহাস রচেন। ভারতের চেরামন পেরুমল চরিত্র তো আছেনই।
এগুলোর একটাও বৈজ্ঞানিক কিংবা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত নয়। দরকারও নেই। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ, জুবাইর ইবনে মুতঈমসহ একাধিক সাহাবী সে রাতে উপস্থিত ছিলেন। নিজেদের চোখের সামনে তারা চাঁদ দুই ভাগ হয়ে যেতে দেখেছেন।
বুখারী ও মুসলিমসহ হাদীসের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থগুলোতে ওপরের দু'জন প্রতক্ষদর্শী ছাড়াও ইবনে আব্বাস, ইবন উমর, আনাস ইবনে মালেক, হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান থেকে নির্ভরযোগ্য সনদে উক্ত ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
এতদ্বসত্ত্বেও উক্ত ঘটনাকে ইতিহাস কিংবা যুক্তির দোহাই দিয়ে প্রত্যাখ্যান বা অপব্যাখ্যার অর্থ হলো তাদের সবাইকে শুধু শুধু মিথ্যুক সাব্যস্ত করা। এটা অন্যায়, অনৈতিকতা।
→বিস্তারিত ফিতান ও মালাহিম গ্রন্থে।
