শ্লীলতা আর অশ্লীলতা, পর্দা আর নগ্নতার মাঝে একটা ভয়ংকর যুদ্ধ চলছে। ফলে যেসব ঘটনা অনেকের কাছেই তুচ্ছ, যেগুলো ইসলামের নামে রাজনীতি করা দলগুলোর কাছে প্রতিবাদের মতো কোনো ইস্যুই নয়, সেগুলো নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে পর্যন্ত লড়াই চলছে।
এটা ঠিক যে, কেবল বড় ও শালীন পোশাক ধর্ষণ রুখতে পারে না। এটার সঙ্গে আল্লাহর ভয়, দৃষ্টির হেফাজত, নৈতিক শিক্ষা, কঠোর আইন ও আইনের প্রয়োগসহ একাধিক ব্যবস্থা জরুরি।
কিন্তু ছোট পোশাক ধর্ষণ ও ব্যভিচারসহ সকল সামাজিক বিশৃঙ্খলার অন্যতম উৎস। এটাকে বৈধতা দিয়ে, প্রমোট করে, হাজারও নীতিকথা কিংবা আইন বানিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে না।
ভোগবাদী সেক্যুলাররা এসব ভালো করেই বোঝে। কিন্তু ভোগ-বাণিজ্য যাতে বন্ধ না হয় এজন্য তারা ছোট ছোট জায়গাতেও ছাড় দেবে না। নরসিংদীর ঘটনা সুপ্রীম কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া এর বড় প্রমাণ। তারা চায়, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র যেমন নগ্নতায় ইউরোপকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে, এখানেও সেটা চালু হোক। এদেশের সমাজ ব্যবস্থা, শালীনতার ঐতিহ্য ভেঙে পড়ুক।
তাই ইসলামী দলগুলো চলমান ইস্যুতে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে সরব ভূমিকা পালন করবে সেই প্রত্যাশা। নতুবা একটা সময় আসবে, চোখের সামনে নগ্নতা দেখেও মানুষ ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পাবে না।